লারিজানিকে হ*ত্যার প্রতিশোধ, ইসরা*ইলের ১০০ স্থাপনায় ইরানের হা*মলা

ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে যথাসাধ্য জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরান। যুদ্ধের ১৭তম দিন সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরাইলি হামলায় নিহত হন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ডা. আলী লারিজানি। সেই হত্যকাণ্ডের প্রতিশোধের অংশ হিসেবে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ডের শতাধিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনের মুখে তাদের চলমান প্রতিশোধমূলক অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৬১তম ধাপে এই লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কলেজছাত্রীর ভিডিও করা নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েই দুপক্ষের সংঘ*র্ষে আ*হত ৪০

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক সচিব ডা. লারিজানির শাহাদাতের প্রতিশোধ নিতে মাল্টি-ওয়ারহেড খোররামশাহর-৪ এবং কদর ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি এমাদ ও খেইবার শেকান প্রজেক্টাইল ব্যবহার করে শত্রু স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এই তীব্র ও আকস্মিক হামলার সময় খোররামশাহর-৪ এবং কদর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অধিকৃত অঞ্চলের হৃদপিণ্ডে অবস্থিত ১০০টিরও বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

আইআরজিসি এই পর্যায়ের প্রতিশোধমূলক হামলার সফলতাকে জায়নবাদী শাসকের বহুমুখী এবং অত্যন্ত উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পতন হিসেবে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুনঃ  কমলো ৮০ হাজার টাকা, স্বর্ণের দামে বিশাল পতন

মাঠ পর্যায়ের তথ্যের বরাত দিয়ে তারা জানায়, এই প্রতিশোধমূলক হামলার ফলে তেল আবিবে ‘আংশিক ব্ল্যাকআউট’ বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। এর ফলে দখলদার বাহিনীর পক্ষে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এ এখন পর্যন্ত ২৩০ জনেরও বেশি জায়নবাদী নিহত বা আহত হয়েছে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সাম্প্রতিক অবৈধ আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে এই প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঈদে পাঁচ দিনের যুদ্ধ*বিরতি দিল আফগানিস্তান

তেল আবিব ছাড়াও পবিত্র অধিকৃত শহর আল-কুদস (জেরুজালেম), অধিকৃত হাইফা বন্দর, ইসরাইলের প্রযুক্তিগত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বিয়ের শেবা এবং নেগেভ মরুভূমির সংবেদনশীল ও কৌশলগত শত্রু স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

একই সঙ্গে কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও তীব্র প্রতিশোধমূলক হামলার মুখে পড়েছে।

সূত্র: প্রেস টিভি

আপনার মতামত লিখুনঃ

Share post:

সর্বশেষ খবর