আরও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়তে যাচ্ছে ইরান। এবার আকাশ ও নৌপথের পাশাপাশি দেশটিতে স্থল হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা অনুমোদন করবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট রোববার (২৯ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। আর এসব সেনাকে দিয়ে কয়েক সপ্তাহব্যাপী ইরানে স্থল হামলা চালানো হতে পারে। তবে এটি অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না। স্থল হামলার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে সেটি ‘যুদ্ধে নতুন ধাপ’ সৃষ্টি করতে পারে। যেটি মার্কিন সেনাদের জন্য যুদ্ধ শুরুর সময়ের চেয়ে আরও বেশি বিপজ্জনক হবে।
যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি বাহিনী : সেনাপ্রধান
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
কিন্তু ইরান থেকে ‘শিগগিরই’ যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স। তিনি বলেন, সামরিক লক্ষ্য অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ইরান থেকে সরে আসবে।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কিছু সময় সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। এর মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করে দেওয়া।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই, আমরা চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে যেন আবার এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি না হতে হয়। সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। তবে এটি সাময়িক এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম আবার কমে আসবে।
তিনি বলেন, আমরা এক বা দুই বছর ধরে ইরানে থাকতে আগ্রহী নই। আমরা আমাদের কাজ শেষ করছি এবং খুব শিগগিরই সেখান থেকে বেরিয়ে আসব।