ফের প*দত্যাগের মিছিল এনসিপিতে

ভোটের মাঠের সমীকরণ মেলাতে গিয়ে এখন খোদ ঘরের মাঠই হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী আসন সমঝোতার সিদ্ধান্তটিই যেন দলটির জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন ঘিরে শুরু হওয়া পদত্যাগের ঢেউ যেন এখন সুনামিতে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল—সর্বস্তরেই পড়েছে দল ছাড়ার হিড়িক, যা দলটির সাংগঠনিক অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন দায়িত্বে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা

এনসিপির তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতাকে সহজভাবে নিতে পারেনি। দলের

আদর্শিক বিচ্যুতি এবং রাজনৈতিক কৌশলে বড় ধরনের ভুল হয়েছে বলে মনে করছেন পদত্যাগীরা। ফলে ভোটের আগে যে অসন্তোষের আগুন ধিকিধিকি জ্বলছিল, নির্বাচনের পর তা প্রকাশ্যে যেন পদত্যাগের মিছিলে রূপ নিয়েছে। এমনকি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতারা একযোগে পদত্যাগ করছেন। আর পদত্যাগীদের বড় একটি অংশ বসে থাকছে না; তারা পুরোনো দল ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিচ্ছেন, যা এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামোকে নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ।

আরও পড়ুনঃ  বিরোধী দলের ৭৯ জন মিলে ২১১ জনকে তীরের মতো সোজা করে রাখব: আমির হামজা

নির্বাচন-পরবর্তী এ বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পদত্যাগ করা প্রভাবশালী নেতাদের ফিরিয়ে আনতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নেতারা সরাসরি বৈঠক করে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার এবং ভবিষ্যতে দল পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা, পদত্যাগীদের অনেকেই সিদ্ধান্তে থাকছেন অনড়।

আপনার মতামত লিখুনঃ

Share post:

সর্বশেষ খবর