বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন জোটের ৩ জন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এককভাবে সরকার গঠনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সব ধরনের প্রস্তুতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে শপথ আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে অনেক নির্বাচিত সদস্য ঢাকায় পৌঁছেছেন, বাকিরাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত হবেন বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে একই দিন সন্ধ্যার পর অথবা পরদিন মন্ত্রিসভার শপথ হতে পারে। মন্ত্রীদের জন্য প্রাধিকারপ্রাপ্ত গাড়িসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরানি রাষ্ট্রদূতকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা, কূটনৈতিক উত্তেজনায় লেবানন–ইরান সম্পর্ক

দলীয় সূত্রগুলো জানায়, মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক পরামর্শ করে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও চৌকশ মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনীতিকদের পাশাপাশি তরুণ মুখ এবং টেকনোক্র্যাট কোটার সদস্যও থাকতে পারেন।

এদিকে জোটের শরিক দল থেকেও তিনজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর আলোচনা চলছে। সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর। এছাড়া নির্বাচনে পরাজিত হলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় বিবেচনায় থাকতে পারেন মাহমুদুর রহমান মান্না।

আরও পড়ুনঃ  জামায়াতের ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। তাকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে—এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।

সম্ভাব্য মন্ত্রী তালিকায় বিএনপির প্রবীণ নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান এবং এজেডএম জাহিদ হোসেন। এদের মধ্যে কয়েকজন টেকনোক্র্যাট কোটায়ও আসতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  খুলনায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় আলোচনায় আছেন রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবীর, মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিন, আমিনুল হক এবং ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ সদস্য সংসদের বাইরে থেকে নেওয়া যায়। সে হিসাবে যদি ৪০ সদস্যের মন্ত্রিসভা হয় সেখানে সর্বোচ্চ চারজন টেকনোক্র্যাট কোটায় নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে শপথ অনুষ্ঠানের দিনই।

আপনার মতামত লিখুনঃ

Share post:

সর্বশেষ খবর